26 Jan 2020

Myanmar must comply (মেনে চলা) with the ICJ orders

মিয়ানমারকে অবশ্যই আইসিজে এর আদেশ মেনে চলতে হবে

After the historic ruling given by the International Court of Justice (ICJ) to protect the Rohingyas from genocide (গণহত্যা), we hope the international community will now exert pressure on Myanmar to comply with the court orders and take meaningful steps to resolve the Rohingya crisis. Although the court has not given its final verdict (রায়) (it may take years to complete the trial) and for now has only ordered Myanmar to take some provisional measures to protect the Rohingyas from genocidal violence, this is a big achievement for the persecuted community as well as Bangladesh. It is also a big achievement that the world court has recognised the ethnic community as Rohingya, meaning that Myanmar can no longer claim that they are illegal migrants from Bangladesh.   

ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অফ জাস্টিস (আইসিজে) রোহিঙ্গাদের গণহত্যা থেকে রক্ষার জন্য যে  ঐতিহাসিক রায় দিয়েছে, তার পর আমরা আশা করি যে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখন মিয়ানমারের উপর আদালতের নির্দেশ মেনে চলার জন্য চাপ প্রয়োগ করবে এবং রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে অর্থবহ পদক্ষেপ নেবে। যদিও আদালত তার চূড়ান্ত রায় দেয়নি (বিচার শেষ হতে কয়েক বছর লাগতে পারে) এবং আপাতত মিয়ানমারকে,গণহত্যার হাত থেকে রোহিঙ্গাদের রক্ষার জন্য কিছু অস্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, নিপীড়িত সম্প্রদায়ের ও বাংলাদেশের জন্য এটি একটি বড় অর্জন। এটি একটি বড় অর্জন যে, বিশ্ব আদালত এই জাতিগত সম্প্রদায়কে রোহিঙ্গা হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে, এর অর্থ মিয়ানমার আর দাবি করতে পারে না যে, তারা বাংলাদেশ এর অবৈধ অভিবাসী।

Now the question is, how to ensure that the Myanmar authorities implement the provisional measures? The ICJ ordered Myanmar to prevent destruction of evidence of any crimes since August 2017 and asked the country to submit a report on the steps taken to implement the court orders in four months. Afterwards, it has to submit its report every six months. Since the emergency measures ordered by the court are legally binding, we hope the Myanmar authorities will have no scope to disregard the orders. Here, we expect the UN Security Council to play the role of an overseeing body. The international community, including India and China, also has to play their part by making Myanmar comply.

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ অস্থায়ী ব্যবস্থা কার্যকর করার বিষয়টি কীভাবে নিশ্চিত করবে? আইসিজে মিয়ানমারকে অগাস্ট ২০১৭ সালের পর থেকে যে কোনও অপরাধের প্রমাণ ধ্বংস না করার নির্দেশ দিয়েছে এবং চার মাসের মধ্যে আদালতের আদেশ কার্যকর করতে গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছে। এর পরে, প্রতি ছয় মাসে একটি করে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। যেহেতু আদালত কর্তৃক আদেশিত জরুরি ব্যবস্থা আইনত বাধ্যতামূলক, আমরা আশা করি মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের আদেশ অগ্রাহ্য করার কোনও সুযোগ থাকবে না। এক্ষেত্রে, জাতিসংঘের সুরক্ষা কাউন্সিল তত্ত্বাবধানকারী সংস্থার ভূমিকা পালন করবে বলে আমরা আশা করি। মিয়ানমারকে এগুলো মেনে চলতে বাধ্য করতে ভারত ও চীন সহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও ভূমিকা নিতে হবে।

Since the military crackdown in Rakhine in 2017, around 740,000 Rohingyas fled to Bangladesh and an estimated 600,000 who still remain in Myanmar have been routinely and systematically denied their most basic rights. In the last two years, Bangladesh seemed to be fighting a losing battle, with little help from other countries. Myanmar couldn’t be brought to answer for its actions or take back its citizens. While the issue was gradually getting lost in the avalanche (ধ্বস) of humanitarian crises across the world, the lawsuit filed by The Gambia with the world court in November gave it a momentum and finally gave us some hope.

২০১৭ সালে রাখাইনে সামরিক আগ্রাসনের পর থেকে প্রায় ৭৪০,০০০ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছিল এবং মিয়ানমারে এখনও অবধি ৬০০,০০০ রোহিঙ্গা রয়ে গেছে, নিয়মিত ও পদ্ধতিগতভাবে তাদের মূল অধিকারকে অস্বীকার করা হয়েছে। গত দুই বছরে মনে হচ্ছিল বাংলাদেশ হেরে যাওয়া লড়াই করছে, অন্য দেশের সামান্য সহায়তা নিয়ে। মায়ানমার তার ক্রিয়াকলাপের জবাব দিতে বা নাগরিকদের ফিরিয়ে আনতে পারেনি। এই সমস্যাটি ধীরে ধীরে বিশ্বজুড়ে মানবিক সংকটের ধ্বসের মধ্যে হারিয়ে যাচ্ছিল, নভেম্বর মাসে গাম্বিয়ার দ্বারা বিশ্ব আদালতের কাছে দায়ের করা মামলাটি এই অবস্থায় একটু গতি ফিরিয়ে এনেছিল এবং শেষ পর্যন্ত আমাদের কিছুটা আশা জাগিয়ে তুলেছে।

Now that the international court has given its ruling, we hope the whole world will speak up in support of the Rohingyas and their fight for justice and also act accordingly to keep the momentum going. It is also high time that Bangladesh strongly negotiated the issue with Myanmar and its allies and together found a sustainable solution to the Rohingya crisis.

এখন যেহেতু আন্তর্জাতিক আদালত রায় দিয়েছে, আমরা আশা করি পুরো বিশ্ব রোহিঙ্গাদের পক্ষে এবং তাদের ন্যায়বিচারের লড়াইয়ের পক্ষে কথা বলবে এবং এই প্রেরণা বজায় রাখতে সেই অনুযায়ী কাজ করবে। এখন সময় এসেছে যে, বাংলাদেশ মিয়ানমার ও তার মিত্রদের সাথে বিষয়টি নিয়ে দৃঢ়তার সাথে আলোচনা করবে এবং একসাথে রোহিঙ্গা সঙ্কটের একটি টেকসই সমাধান খুঁজে পাবে।


BCS PRELIMINARY & WRITTEN

Learn from scratch to become a first class officer.


BANK JOBS

A huge collection of Bank Job Questions to guide you through.


NTRCA

Easy and simple way to succeed.


GOVT. JOBS

StudyPress has solutions of ALL previous govt job tests.


MBA ADMISSION TEST

Worried about Math and English? Try Studypress


CURRENT NEWS

Every Important News updates for Job Preparation.


MISTAKE LIST

Something you will find nowhere else, but you need the most.


ALL PREVIOUS QUESTION & SOLUTIONS

The test was held yesterday? Solution is here!!


Login Now